অভয়নগর প্রতিনিধি:যশোরের অভয়নগরে ক্লিনিকের অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ইউনাইটেড ক্লিনিক ও স্বপ্ন ক্লিনিককে মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এর মধ্যে ইউনাইটেড ক্লিনিককে ৫ হাজার এবং স্বপ্ন ক্লিনিককে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
তবে ক্লিনিক দুটিতে যে ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেছে এবং তার বিপরীতে জরিমানার পরিমাণ কতটা যথাযথ—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, ইউনাইটেড ক্লিনিকে বৈধ কাগজপত্র না থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ছাড়া ক্লিনিকের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, হ্যান্ড গ্লাভস-সংক্রান্ত অনিয়ম, ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা এবং ফ্রিজে গরুর মাংস সংরক্ষণের মত গুরুতর অপরাধের অভিযোগ উঠে।
এসব অনিয়মের দায়ে ক্লিনিকটিকে মাত্র ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা আদায় করা হয়।
অন্যদিকে, স্বপ্ন ক্লিনিককে মাত্র ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় এ জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবির আনসারী। তিনি প্রাথমিক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার রাকিবুল ইসলাম ও হাসপাতালের ফুড ইন্সপেক্টর আব্দুল মতিন।
স্থানীয় সাধারণ লোকের প্রশ্ন, স্বাস্থ্যসেবার মতো স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ খাতে বৈধ কাগজপত্রের ঘাটতি, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও অপরিচ্ছন্নতার মতো অভিযোগের ক্ষেত্রে শুধু আর্থিক জরিমানাই কি যথেষ্ট? তাও খুবই যৎ সামান্য। কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া না হলে এ ধরনের গুরুতর অপরাধ চলমান থেকে যাবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা না গেলে রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকেই যেতে পারে।

