যশোরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাত নেতাকর্মীকে পৃথক নাশকতা, হামলা ও সহিংসতার মামলায় আটক করেছে পুলিশ। একই সময়ে শার্শায় বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় যুবলীগের এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ও আটক আটজনকে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।
আটকরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যশোর জেলা শাখার যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক জিয়াউল হাসান হ্যাপী, আব্দুল কাদের, সাইফুল আলম, মীর হোসেন, জেলা মহিলা লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালমা পারভীন কেয়া, বাবুল ইসলাম ও রাকিব আলী।
পুলিশ জানায়, জিয়াউল হাসান হ্যাপী যশোর বিমানবন্দর এলাকার মৃত মুজাফ্ফরের ছেলে। গত ২৮ আগস্ট সকালে যশোর শহরের কাজীপাড়া-কাঁঠালতলা এলাকায় পালবাড়িগামী সড়কে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সরকারবিরোধী ও নাশকতাপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে।
এ ছাড়া আব্দুল কাদের, সাইফুল আলম, মীর হোসেন ও সালমা পারভীন কেয়াকে গত ৬ জুন যশোরের বসুন্দিয়ার জঙ্গলবাধাল এলাকায় বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আটক দেখানো হয়েছে।
অন্যদিকে, বাবুল ইসলাম ও রাকিব আলীকে যশোর সদর উপজেলার রাজারহাট পিকনিক কর্নার এলাকায় গত ৩১ জুলাই নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আটক দেখানো হয়েছে।
এদিকে শার্শায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে মো. হযরত আলী (৫৫) নামে যুবলীগের এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ডিহি ইউনিয়নের ফুলসার (মাঝেরপাড়া) এলাকায় তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হযরত আলী ডিহি ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক। তিনি ফুলসার গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীন বেপারীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হযরত আলীর বিরুদ্ধে শার্শা থানায় গত ১৯ সেপ্টেম্বর দায়ের করা ২৩ নম্বর মামলায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইন, ১৯০৮-এর ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে হযরত আলীকেও যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

