HomeTop1কৃমির সমস্যা কমাতে শিশুকে খাওয়ান এই খাবারগুলো

কৃমির সমস্যা কমাতে শিশুকে খাওয়ান এই খাবারগুলো

লাইফস্টাইল ডেস্ক: শিশুদের মধ্যে কৃমির সমস্যা বেশ পরিচিত। মাটি, খাবার বা পানির মাধ্যমে কৃমির ডিম শরীরে ঢুকতে পারে। আবার অপরিষ্কার হাতে মুখ দেওয়ার অভ্যাস থেকেও শিশুর শরীরে কৃমি হতে পারে। ফলে বারবার পেটব্যথা, খিদে কমে যাওয়া কিংবা মলদ্বারে চুলকানির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কৃমির ওষুধ খাওয়ানোর পর কিছুদিন স্বস্তি মিললেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস না থাকলে আবারও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন কৃমির সমস্যায় ভুগলে শিশুর শরীরে রক্তস্বল্পতা ও পুষ্টির ঘাটতিও তৈরি হতে পারে। তাই ওষুধের পাশাপাশি শিশুর খাবার ও পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।

কৃমি থেকে বাঁচতে যা করবেন

শিশুকে খাবার খাওয়ার আগে এবং শৌচাগার ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করাতে হবে। নখ ছোট ও পরিষ্কার রাখতে হবে। নোংরা হাতে মুখে দেওয়া থেকে বিরত রাখার পাশাপাশি পরিষ্কার খাবার ও নিরাপদ পানি খাওয়ানোর দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

কৃমির সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানো জরুরি। এর পাশাপাশি খাবারের তালিকায় কিছু পুষ্টিকর খাবার রাখা যেতে পারে।

উচ্ছে-করলা

কৃমির সমস্যা হলে শিশুর খাবারের তালিকায় উচ্ছে ও করলা রাখা যেতে পারে। এতে জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে এমন উপাদান রয়েছে এবং এটি আঁশসমৃদ্ধ। নিয়মিত খাবারের অংশ হিসেবে উচ্ছে-করলা রাখলে পেট পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করতে পারে।

নিমপাতা

কৃমির সমস্যায় তেতো খাবার খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। এ কারণে উচ্ছে-করলার পাশাপাশি নিমপাতার রস খাওয়ানোর কথাও বলা হয়। তবে শিশুকে নিমপাতার রস খাওয়ানোর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কাঁচা হলুদ

কাঁচা হলুদের রসও কৃমির সমস্যা কমাতে সহায়ক হিসেবে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। কাঁচা হলুদ বেটে এর সঙ্গে কাঁচা আদা, সামান্য নুন ও লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়ানোর প্রচলন রয়েছে। তবে শিশুর ক্ষেত্রে এমন ঘরোয়া উপায় ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বারবার কৃমি হলে কী করবেন

শিশুর বারবার কৃমি হলে শুধু ঘরোয়া উপায়ের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কৃমির ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা ভিন্ন হতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী কৃমিনাশক ওষুধ ব্যবহার করতে হবে।

কৃমি প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা। খাওয়ার আগে ও শৌচাগার ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, নখ ছোট রাখা, পরিষ্কার খাবার ও নিরাপদ পানি খাওয়ানো এবং নোংরা হাতে মুখে দেওয়া বন্ধ করার অভ্যাস শিশুকে ছোটবেলা থেকেই শেখাতে হবে।

RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Most Popular

Recent Comments