যশোর সদর উপজেলার ৮ নম্বর দেয়াড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গাপুর গ্রামে ছেলের হাতে মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তেঘরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনে থেকে জনতার হাতে আটক হয় ঘাতক ছেলে এবং তাকে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করে। নিহত নারী দুর্গাপুর গ্রামের বাজে দুর্গাপুর আঞ্জুমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আলতাফ হোসেনের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত নারীর ছেলে মামুনের দুটি বিয়ে হলেও তার দুই স্ত্রীই তাকে ছেড়ে চলে যান। এ ঘটনাগুলোর জন্য মামুন তার মাকে দায়ী করতেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এ বিষয় নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার প্রায়ই কথা কাটাকাটি ও বিরোধ হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকেলে মায়ের সঙ্গে এ বিষয় নিয়ে ঝগড়ার একপর্যায়ে মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো বটি দিয়ে মাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
শুক্রবার ভোরে স্থানীয় জনতা মামুনকে আটক করে। পরে তাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে তদন্ত চলছে।

