নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষিত, মেধাবী ও অভিজ্ঞ তরুণ নেতৃত্বের খোঁজ করছেন নিজামপুর ইউনিয়নের মানুষ। এই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই যশোরের শার্শা উপজেলার ১১ নম্বর নিজামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসছেন খান মোহাম্মদ আলী রাজা।
শিক্ষা ও পেশায় ব্যতিক্রমী প্রোফাইল : রাজা ইংরেজি বিষয়ে বি.এ. অনার্স ও এম.এ ডিগ্রিধারী। এরপর এল.এল.বি সম্পন্ন করে বর্তমানে যশোর জজ কোর্টে শিক্ষানবীশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন। সমর্থকদের মতে, শিক্ষা, আইন ও প্রশাসন সম্পর্কে তাঁর সম্যক ধারণা ইউনিয়ন পরিষদের কাজকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতে পারবে।
স্থানীয় অনেকেই মনে করছেন, ডিজিটাল সেবা, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতে উচ্চশিক্ষিত একজন জনপ্রতিনিধির বিকল্প নেই। সেই ভাবনা থেকেই রাজার প্রার্থিতা নিয়ে ইউনিয়নজুড়ে কৌতূহল বাড়ছে।
রাজনীতিতে দীর্ঘ পথচলা ;
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তিনি। ২০০৭ সালে ছাত্রদলের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি। সরকারি এম.এম কলেজের বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি যশোর জেলা ছাত্রদলের নির্বাহী সদস্য ও সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক কাজের অভিজ্ঞতা এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ককে তাঁর বড় শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরিবর্তনের এজেন্ডা:
সমর্থকদের দাবি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং আধুনিক নাগরিক সেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিজামপুরকে একটি জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই রাজার মূল লক্ষ্য।
ইতোমধ্যে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ শুরু করেছেন। শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, তরুণ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করে এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরছেন।
তাঁর পক্ষের লোকজন বলছেন, “আইনের জ্ঞান, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা আর শিক্ষার সমন্বয় ঘটাতে পারলে নিজামপুরের উন্নয়ন নতুন মাত্রা পাবে।”
ভোটের মাঠ কী বলে: শেষ পর্যন্ত রাজার ভাগ্য নির্ভর করবে দলীয় মনোনয়ন, স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণ এবং নিজামপুরের ভোটারদের রায়ের ওপর।
শিক্ষিত নেতৃত্বের মাধ্যমে ইউনিয়নে পরিবর্তন চান – এমন প্রত্যাশাই এখন নিজামপুরের মানুষের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে।

